Monday, September 14, 2015

শনির সবচেয়ে ‘তরুণ’ বলয় খুঁজে পেল নাসা!

রহস্যের জট খুলল অনেকটাই।
জানা গেল, শনির সবকটি বলয় বা ‘রিং’ একই সময়ে জন্মায়নি।
এই সৌরমণ্ডলের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহটির সবচেয়ে দূরের বলয় ‘এফ রিং’ আর তার ভেতর-বাইরে থাকা দুটি উপগ্রহ জন্মেছে একেবারে শেষ ধাপে। মানে, অন্য বলয়গুলির তুলনায় শনির ‘এফ রিং’-ই সবচেয়ে ‘তরুণ’! যদিও চেহারার বিচারে তা শনির অন্য বলয়গুলির তুলনায় সবচেয়ে সরু। চওড়া বড়জোড় কয়েকশো কিলোমিটার।
নাসার দুই মহাকাশযান ‘ভয়েজার’ ও ‘ক্যাসিনি’-র পাঠানো ছবি ও তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে জাপানের ‘ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি’ (এনএও বা ‘নাও’)।
শনির সবচেয়ে দূরের এই বলয়টিকে প্রথম খুঁজে পেয়েছিল ‘পাইওনিয়ার ১১’ মহাকাশযান, ১৯৭৯ সালে। শনির লক্ষ-লক্ষ কিলোমিটার চওড়া আদিতম বলয়গুলির চেয়ে অনেক-অনেক দূরে থাকা এই ‘এফ রিং’-এর ভেতর ও বাইরে রয়েছে দুটি উপগ্রহ। ‘প্রমিথিউস’ আর ‘প্যান্ডোরা’, যথাক্রমে।
নাসার দুই মহাকাশযান ‘ভয়েজার’ ও ‘ক্যাসিনি’-র পাঠানো ছবি ও তথ্যাদি জানাচ্ছে, শনির আদিতম চওড়া বলয়গুলিতে কয়েক লক্ষ-কোটি বছর আগে যে-পরিমাণ কণা বা কণিকা ছিল, এখন আর তা নেই। হারিয়ে যাওয়া ওই সব কণা বা কণিকাই সুদূর অতীতে বানিয়েছিল ‘এফ রিং’। গড়ে তুলেছিল দুটি উপগ্রহ- ‘প্রমিথিউস’ আর ‘প্যান্ডোরা’র শরীর। ‘প্রমিথিউস’-এক জন্ম হয়েছিল আগে। একেবারে শেষ ধাপে জন্মেছিল ‘প্যান্ডোরা’। শনির সবচেয়ে তরুণ বলয় ‘এফ রিং’-এর বাইরে।
এ বার এই সৌরমণ্ডলের আরও একটি গ্রহ ‘ইউরেনাস’-এর বলয় ও উপগ্রহগুলিরও জন্মের ইতিহাস জানা সম্ভব হবে বলে আশা বিজ্ঞানীদের।

No comments:

Post a Comment