Thursday, October 1, 2015

Venezuelan film wins Top Honour at Venice Film Festival

  • Venezuelan film From Afar (Desde Alla) has won the top award The Golden Lion prize at the Venice film festival and became the first ever Latin American film to receive such an honour.
  • It’s a directorial debut of Lorenzo Vigas in which he tells the story of a rich man who gets sexually involved with a young man from one of the city’s gangs. It is based on a story “21 Grams” written by Guillermo Arriaga.
  • The jury was headed by the Mexican director Alfonso Cuaron of Gravity.
  • Fabrice Luchini was adjudged Best Actor with Italy’s Valeria Golino as the Best Actress.
  • Apart from this, The Silver Lion for Best Director went to Argentinian moviemaker, Pablo Trapero, for the gripping kidnap drama, The Clan andVenice’s Grand Jury Prize went to the American animation feature film,Anomalisa. The Special Jury Prize was clinched by Emin Alper’s Frenzy.

Govt. to raise wage eligibility limit for Bonus

  • Union Labour Minister Bandaru Dattatreya announced that the Centre has decided to raise the wage eligibility limit to 21,000 per month as against Rs 10,000 or below at present under the Payment of Bonus Act.
  • In addition to that, the minimum amount of bonus to be paid would be raised from the existing 3,500 to Rs. 7,000 per month.
  • As per the sources, these were prepared two months ago and were supposed to be introduced in the last session of Parliament.

একসঙ্গে কাজ করলেই কাজগুলো হবে

ক্রমশ। মোদী এবং ওবামা। ওয়াশিংটন ডিসি, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫।

পাঁচ বছর আগে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক একুশ শতকের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক সম্পর্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এই অনন্য সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির রূপান্তরে তার সম্ভাবনার কথা মনে রেখে আমাদের দুই দেশ একটি প্রতিরক্ষাগত ও বাণিজ্যিক কথোপকথন (স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড কমার্শিয়াল ডায়ালগ বা এসঅ্যান্ডসিডি)-এর সূচনা করেছে। এই নতুন বন্দোবস্তটি দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত ও গভীরতর করবে এবং তার মাধ্যমে আমাদের দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনীতি ও বাণিজ্যের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকার উপর আরও বেশি জোর দেবে।
পৃথিবী এই মুহূর্তে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বহু সমস্যার সম্মুখীন। এই সমস্যাগুলির মোকাবিলায় ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, কিন্তু সে জন্য এই দুই দেশের একসঙ্গে উদ্যোগী হওয়া দরকার, বিচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করলে হবে না। বৃহৎ এবং বাজারমুখী গণতন্ত্রের অনুসারী এই দুই দেশ ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে, বিপুল সামাজিক পরিবর্তনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ ভাবে কাজ করতে সমর্থ। বৈচিত্র তথা বহুত্বকে রক্ষা করা, পুরনো এবং নতুন নানা আঞ্চলিক সংকটের মোকাবিলা করা এবং আমাদের নাগরিকদের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা বাড়ানো— বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন ক্রমকাণ্ডের মধ্য দিয়ে এই সামর্থ্যের পরিচয় আমরা দিয়ে চলেছি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ককে আরও জোরদার এবং আরও প্রসারিত করার বিষয়ে আমাদের রাষ্ট্রীয় নেতাদের যৌথ অভিপ্রায় চরিতার্থ করার পথে এসঅ্যান্ডসিডি একটি বড় পদক্ষেপ। ভারত যাতে ‘সাপ্লাই চেন’ অর্থাৎ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের আন্তর্জাতিক কাঠামোর অঙ্গীভূত হতে পারে, আমরা সে জন্য নানা বিষয়ে সহযোগিতার চেষ্টা করছি, যেমন, ব্যবসাবাণিজ্যের পরিবেশে উন্নতিসাধন, পরিকাঠামোর উন্নয়ন, ব্যবসায়িক উদ্যোগ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের প্রসার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অগ্রগতি। এই চেষ্টা যত বেশি সফল হবে, ভারতে মার্কিন উদ্যোগীদের সামনেও ততই নতুন সুযোগ তৈরি হবে, এবং দু’দেশের প্রতিরক্ষাগত সম্পর্কও জোরদার হবে।
ইতিমধ্যে মার্কিন-ভারত সিইও ফোরামটিকেও জোরদার করে তোলা হয়েছে এবং এই মঞ্চে দু’দেশের বেসরকারি উদ্যোগের পারস্পরিক সংযোগও বেড়েছে। ভারতে শিল্পবাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়ন, স্মার্ট সিটি প্রকল্পে এবং সামগ্রিক ভাবে পরিকাঠামোর প্রসারে বিনিয়োগ, পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার সমন্বয়, বিমান পরিবহন ও প্রতিরক্ষা এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ ইত্যাদি ক্ষেত্রে মার্কিন উদ্যোগীদের সহযোগিতা খুবই কার্যকর হবে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের অঙ্ক পাঁচগুণ বাড়িয়ে বার্ষিক পঞ্চাশ হাজার কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা দু’দেশের নেতারা স্থির করেছেন, সেটি পূরণ করার জন্য দু’দেশেরই ব্যবসায়ীদের পরামর্শ কাজে লাগবে।
এর পাশাপাশি অন্য নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উন্নতির জন্য, বিশেষত দুনিয়া জুড়ে সুস্থিতি, স্বাস্থ্য এবং সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে আমাদের চেষ্টা চলবে। পৃথিবীর কঠিনতম কিছু সমস্যা সমাধানের জন্য মার্কিন ও ভারতীয় গবেষকরা একযোগে কাজ করছেন। মার্কিন ও ভারতীয় গবেষকদের যৌথ প্রচেষ্টার সুবাদে গত মার্চ মাসে রোটাভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য সবচেয়ে সস্তা ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু হয়েছে। আফ্রিকা মহাদেশ জুড়ে কৃষির ফলন ও কৃষিজীবীদের আয় বাড়াতে এবং অপুষ্টি কমাতে আমাদের উন্নয়ন-বিশেষজ্ঞরা কাজ করে চলেছেন। কয়েক মাস আগে নেপালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের বিপর্যস্ত এলাকায় ত্রাণ সরবরাহে আমাদের সেনা ও ত্রাণকর্মীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন। আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পর্যন্ত প্রসারিত অঞ্চলের কুড়িটি দেশের সরকারি কর্তারা মা ও শিশুর মৃত্যু কমানোর জন্য গত মাসেই যে অঙ্গীকার করেছেন, আমাদের দু’দেশের সরকার তাতে যোগ দিয়েছে।
রাষ্ট্রের সীমা অতিক্রম করে মহাকাশে এবং সাইবার-দুনিয়াতেও প্রসারিত হয়েছে আমাদের সহযোগিতার উদ্যোগ— রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল আচরণের শর্ত, সাইবার-নিরাপত্তার জন্য সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং মুক্ত, সুরক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য একটি সাইবারস্পেস তৈরির লক্ষ্য পূরণের উপযোগী ইন্টারনেট প্রশাসনের একটি বহুপাক্ষিক কাঠামো নির্মাণের মতো বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা চলছে। মঙ্গলগ্রহে ভবিষ্যৎ অভিযানের নানান কর্মসূচি সহ মহাকাশ গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নাসা এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) যৌথ প্রয়াস উত্তরোত্তর বাড়ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যাটিও সীমান্ত এবং অর্থনৈতিক সামর্থ্যের গণ্ডিতে বাঁধা নয়। বস্তুত, আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের সামনে এটি একটি বিপুলায়তন সমস্যা। এই সমস্যার মোকাবিলায় আরও বেশি তৎপর হওয়া প্রত্যেকটি দেশের দায়, কারণ জলবায়ু পরিবর্তন প্রত্যেকটি দেশের পক্ষেই এক বড় বিপদ। এই বিপদের মোকাবিলায় আমাদের দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ এখন যতটা জোরদার, আগে তা কখনও হয়নি।
ইন্দো-প্যাসিফিক (ভারত মহাসাগর-প্রশান্ত মহাসাগর) অঞ্চলের একেবারে কেন্দ্রস্থলে ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ফলে যেমন এই দেশের সামনে বিশেষ সুযোগ আছে, তেমনই বিশেষ চ্যালেঞ্জও আছে। গণতন্ত্র, বহুত্ব এবং মুক্ত উদ্যোগের আদর্শে বিশ্বাসী আমাদের দুই দেশ এই অঞ্চলে নিয়মতান্ত্রিক আন্তর্জাতিক আচরণবিধি অনুসরণের স্বার্থে একযোগে কাজ করতে চায়। আমরা উভয়েই মনে করি, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্থিতির জন্য কিছু শর্ত পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি— যথা, বিভিন্ন দেশের মধ্যে দৃঢ় অর্থনৈতিক সংযোগ, সমুদ্র এবং আকাশপথে এক দেশের এলাকা দিয়ে অন্য দেশের যানের অবাধ চলাচল, এক দেশের সঙ্গে আর এক দেশের মধ্যে সমুদ্র বা ভৌগোলিক এলাকা সম্পর্কিত বিবাদের শান্তিপূর্ণ নিরসনের কার্যকর নিয়মতান্ত্রিক পরিকাঠামো। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দু’দেশের নৌবাহিনী সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বিধানে একযোগে কাজ করছে। যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজের প্রযুক্তি ও নকশার ক্ষেত্রে আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। আমাদের নৌবাহিনীর যৌথ অনুশীলন ‘মালাবার’-এর ক্রমশ প্রসার ঘটছে, এ বছর ভারত মহাসাগর অঞ্চলে ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপান এই অনুশীলনে যোগ দিয়েছে।
আমাদের নাগরিকরাও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার প্রসারে অনন্য ভূমিকা নিয়ে চলেছেন। ২০১৩ সালে দশ লক্ষের বেশি আমেরিকান ভারতে আসেন, আবার গত শিক্ষাবর্ষের হিসেবে এক লক্ষের বেশি ভারতীয় ছাত্রছাত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লেখাপড়া করছেন। মার্কিন সমাজের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষদের বিরাট অবদান আছে, সিলিকন ভ্যালির বহু নতুন প্রযুক্তি-উদ্যোগের পিছনে আছে তাঁদের প্রতিভা ও উদ্ভাবনী শক্তি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে গবেষণাগারে ও লেকচার হল থেকে শুরু করে ফরচুন ৫০০ কোম্পানিগুলির বোর্ডরুমে, ওয়াশিংটনে এবং দেশের নানা রাজ্যে সরকারি উপরমহলে তাঁদের প্রবল উপস্থিতি।
গণতান্ত্রিক নীতি ও আদর্শ, এক ধরনের মূল্যবোধ, আর্থিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ জীবনের জন্য নাগরিকদের প্রবল আকাঙ্ক্ষা— এত বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে মিল রয়েছে! এই আকাঙ্ক্ষাগুলি চরিতার্থ করার জন্য আমরা প্রত্যেকটি স্তরে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার প্রসার ঘটাতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

হানা মার্কিন ক্যাম্পাসে, নিহত ১৫

আমেরিকার ওরেগন প্রদেশের এক কলেজে বন্দুকবাজের হামলায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স। ওরেগন প্রশাসন জানিয়েছে, রোজবার্গ শহরের উমপকুয়া কমিউনিটি কলেজের ক্যাম্পাসে এক বন্দুকবাজ ঢুকে পড়ে। হামলায় ২০ জন আহতও হয়েছেন। বন্দুকবাজ এখন পুলিশের হেফাজতে। তাকে শনাক্তও করা গিয়েছে। তবে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। 

পাঁচশো গোল করেই মুখ খুললেন রোনাল্ডো

মিডিয়ার সঙ্গে বিগত ছ’মাস প্রকাশ্যে কথা বন্ধ ছিল তাঁর। সেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো অবশেষে তাঁর সেই মৌনব্রত ভাঙলেন তাঁর কেরিয়ারের ৫০০ তম গোল করে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুধবার সুইডেনের ক্লাব মালমোর বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে রোনাল্ডো ছুঁয়ে ফেললেন আর এক রিয়াল তারকা রাউলকে। রিয়ালের জার্সি গায়ে যার ৩২৩ গোল আজও রেকর্ড। সেই রেকর্ড স্পর্শ করেই প্রকাশ্যে মিডিয়ার উদ্দেশে রোনাল্ডো বলছেন, ‘‘গত কয়েক মাসে আপনাদের প্রশ্নগুলো ভাল লাগত না বলেই কথা বলিনি। অতীত ছেড়ে আজকের কথা বলুন।’’ ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম বক্স অফিস সঙ্গে এটাও বলেন, ‘‘রাউল ধন্যবাদ জানিয়েছে। ভাবতেই পারছি না, ওর রেকর্ড আমি স্পর্শ করেছি। রিয়ালে আসার পর এই স্বপ্ন যে মনের কোণে ছিল না তা নয়। শেষ পর্যন্ত তা সফল হওয়াতে আমি খুশি।’’
রোনাল্ডোদের ২-০ জয়ের দিনে জিতল পর্তুগিজ মহাতারকার পুরনো ক্লাব ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডও। ঘরের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তারা ২-১ হারাল জার্মান ক্লাব উলফসবার্গকে। তাও আবার খেলা শুরুর চার মিনিটের মধ্যে পিছিয়ে গিয়ে। প্রথমার্ধের প্রায় মাঝামাঝি পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান ম্যান ইউয়ের স্প্যানিশ তারকা জুয়ান মাতা। আর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই জয়সূচক গোলটি করেন ক্রিস স্মলিং। রুদ্ধশ্বাস এই ম্যাচ জিতে রুনিদের কোচ ফান গলও উত্তেজিত। ‘‘শুরুতেই পিছিয়ে গিয়ে ম্যাচ বের করা সহজ ছিল না। ভাগ্য সঙ্গে থাকায় পেনাল্টি থেকে গোল এলেও পরিকল্পনাগুলো ঠিক মতো কাজ করছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে বরং সব ঠিকঠাক হল।’’
ম্যান ইউয়ের মতোই পিছিয়ে গিয়ে জয় আনল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইংল্যান্ডের আর এক ক্লাব ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। জার্মান ক্লাব মনচেনগ্লাডবাখের বিরুদ্ধে আগেরোদের জয়ও কম নাটকীয় নয়। জার্মানদের রাফায়েল পেনাল্টি নিতে এলে শুরুতেই তা বাঁচিয়ে দেন ম্যান ইউ কিপার জো হার্ট। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে আগেরোদের টিমের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েছিল জার্মান টিমটি। কিন্তু আত্মঘাতী গোলে সমতা ফেরানোর পর একদম অন্তিম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ম্যান সিটিকে ২-১ জয় এনে দেন আগেরো।
 এ দিকে, দীর্ঘ ছ’বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে হারল আটলেটিকো মাদ্রিদ। রোনাল্ডোর দেশের ক্লাব পর্তুগালের বেনফিকার বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও ১-২ হারল ফেলিপে লুইস, দিয়েগো গডিনরা।

অব্যাহত হামলা, পেন্টাগনের সঙ্গে সংঘাতে ক্রেমলিন

যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় আজও লাগাতার বিমানহানা চালাল রাশিয়া। সেইসঙ্গে সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে রাশিয়া-আমেরিকার মতপার্থক্যে ফের ঠান্ডা লড়াইয়ের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন কূটনীতিকেরা। আসাদ সরকারের হয়ে লড়তে সিরিয়ায় এসেছে কয়েক হাজার ইরানি সেনাও।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সমর্থনে বুধবার সিরিয়ার ময়দানে নেমেই রাশিয়া দাবি করেছিল, এক বছর ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মোকাবিলায় মার্কিন যৌথবাহিনী অভিযান চালালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে, ওবামা সরকারকে এক প্রকার কোণঠাসা করেই আমেরিকার ‘শত্রু’ আসাদের পাশে দাঁড়িয়েছে রাশিয়া। আর তাতেই রাতারাতি বদলাতে শুরু করেছে পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমীকরণ। আজ সিরিয়া পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যেই পারদ চড়েছে ক্রেমলিন-পেন্টাগনের মধ্যে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক একটি বিবৃতিতে আজকের হামলার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি, মন্ত্রকের টুইটার অ্যাকাউন্টে আপলোড করা হয়েছে বোমাবর্ষণের ছবি। তৈরি হয়েছে #সিরিয়াদিসনাইট নামে নতুন হ্যাশট্যাগ। সিরিয়া প্রশ্নে কোনও মতেই রণে ভঙ্গে দেবেন না বলে ইতিমধ্যেই বার্তা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
সিরিয়া-সঙ্কট প্রশ্নে নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার অধিবেশনে আমেরিকার নীতি এবং পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যৌথবাহিনীর প্রসঙ্গে সুর চড়িয়েছিলেন পুতিন। আইএস-কে রোখা নিয়ে একমত হলেও ওবামা-পুতিনের মতপার্থক্য প্রকট হয় আসাদের প্রশ্নে। আমেরিকা মনে করে, আসাদকে না হটালে সিরিয়ার সঙ্কটের সমাধান খোঁজা অসম্ভব। কিন্তু পুতিনের মতে, আইএসের মোকাবিলা করতে হলে আসাদকে পাশে নিয়েই চলতে হবে।
এ দিকে, রাশিয়াকে জমি ছাড়তে নারাজ আমেরিকা আজ সিরিয়ায় বিমানহানার ‘আসল উদ্দেশ্য’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।  রাশিয়ার মূল লক্ষ্য আইএস নয়, বরং আসাদ-বিরোধী বিদ্রোহীদের উপর হামলা করতেই পুতিন সিরিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পেন্টাগন। সিরিয়ার বিদ্রোহীদের একাংশও একই অভিযোগ তুলেছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব, অ্যাশটন কার্টারের কথায়, ‘‘যে এলাকায় রাশিয়া হামলা চালাচ্ছে, সেখানে আইএসের অস্তিত্বই নেই। এটাই আসল সমস্যা।’’ একদিকে আসাদকে সমর্থন, আর অন্য দিকে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই— দুটোই একসঙ্গে চলতে পারে না বলে রাশিয়াকে কটাক্ষ করে তিনি জানান, আইএস-কে ঠেকাতে হলে সিরিয়ায় রাজনৈতিক বদল প্রয়োজন। তা না করেই জঙ্গিনিধনের চেষ্টা করলে আদতে সিরিয়ার আগুনে ঘি ঢালা হবে। ওয়াশিংটনের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়ে কার্টার বলেন, ‘‘জঙ্গিনিধন এবং সিরিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বদল— এই দু’টি বিষয়কেই গুরুত্ব দেয় আমেরিকা।’’ লক্ষ্যপূরণে তাই আলাদা ভাবে নয়, বরং একসঙ্গে এগোলেই সাফল্য মিলবে বলে রাশিয়াকে বার্তাও দিয়েছেন কার্টার।
মার্কিন তোপের মুখে আজ সুর চড়াতে ছাড়েনি রাশিয়াও। আজ পুতিনের এক মুখপাত্র জানান, আইএস তো বটেই, সঙ্গে অন্য জঙ্গিগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেও হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। ভুল তথ্য দিয়ে আমেরিকা বিভ্রান্তি তৈরি করছে বলেও অভিযোগ রাশিয়ার। এ দিকে, মার্কিন যৌথবাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা এবং জঙ্গিযুদ্ধে হেরে যাওয়ার পরেই রাশিয়া মাঠে নেমেছে বলে
দাবি করেছেন ফ্রান্সে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ওরলভ। তাঁর কথায়, ‘‘সিরিয়ায় এক বছর ধরে রয়েছে আমেরিকার নেতৃত্বাধীন বাহিনী। হাজার পাঁচেক হামলাও চলেছে। কিন্তু আইএস বহাল তবিয়তেই রয়েছে।’’ সিরিয়া পরিস্থিতিতে পুতিনের হস্তক্ষেপ নিয়ে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী, ‘‘এক বছরের মধ্যেই সিরিয়ায় স্বাধীন ভাবে নির্বাচন হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যাবে।’’

আফগানিস্তানে ভেঙে পড়ল মার্কিন সেনা বিমান, মৃত ১১

সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশন চালানোর সময়ে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ১১ জনের। শুক্রবার পূর্ব আফগানিস্তানে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে ৬ জন মার্কিন সেনা এবং ৫ জন কনট্রাক্টর রয়েছেন। তাঁরা ন্যাটোর অধীনস্থ সেনা। সন্ত্রাসবাদীদের দমন করতে আফগানিস্তানকে সাহায্য করছিলেন তাঁরা। সে সময়ই আচমকা মার্কিন বিমানটি ভেঙে পড়ে। তবে কী ভাবে এই দুর্ঘটনা তার কারণ এখনও জানা যায়নি। ঘটনায় পিছনে সন্ত্রাসের প্রমাণও মেলেনি বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন সেনা আধিকারিক।
যদিও সন্ত্রাসের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দুর্ঘটনাস্থলে এর আগেও বহু বার হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে জালালাবাদ বিমানবন্দরে এক আত্মঘাতী জঙ্গির হামলায় ৫ জনের মৃত্যু হয়। এটা ছিল ওই বছরের তৃতীয় হামলা। ন্যাটো ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহার করায় মাত্র ১০ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে আফগানিস্তানে। তাঁরা মূলত আফগান জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়।